মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ এপ্রিল ২০১৯

মোংলা বন্দরের ইতিহাস

 

ইতিহাস

উন্নয়নের নতুন দিগন্ত

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে শত শত বছর ধরে চলে আশা সমুদ্র বানিজ্য একটি দেশের প্রান সরুপ আন্তর্জাতিক বানিজ্য সম্প্রসারন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমুদ্র বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে । মোংলা বন্দর খুলনার অন্যতম শেষ্ঠ আকর্ষন এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর তাই দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে তথা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে ।

১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ `` The City of Lyons"  সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে । এটাই ছিল মোংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সুচনা এর পর ১৯৫১ সালের ৭ই মার্চ  জয়মনির গোল থেকে ১৪ মাইল উজানে চালনা নামক স্থানে এ বন্দর স্থানান্তরিত হয়ে  ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত এ বন্দরের কার্যক্রম চলে । পরে স্যার ক্লাইভ এংনিস পশুর ও শিবসা নদী জরিপের জন্য আসেন দীর্ঘ  বিস্তত জরিপের পর তিনি তার রিপোর্টে  বন্দরকে চালনা থেকে সরিয়ে মোংলায় প্রস্তাব করে । চালনা থেকে ৯/১০ মাইল ভাটিতে মোংলা নদী এবং পশুর নদীর মিলন স্থলের ছিলো ‘‘মোংলা’’ । এখানে নদীর নাব্যতাও ছিল বেশি । সুবিস্তত স্থলভাগ ও বন্দর নির্মানের জন্য ছিল উপযোগী উপরোক্ত প্রস্তাব অনুযায়ী ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন এ বন্দরকে সরিয়ে মোংলা নামক স্থানে নিয়ে আসা হয় । বন্দর যখন চালনা বন্দর ছিল তখন এটা ছিল একটা অচেনা গ্রাম নাম ছিল শ্যালাবুনিয়া তবে বন্দর স্থানান্তরের পরেই ঘটে তার পরিবর্তন । একটা অচেনা ক্ষুদ্র গ্রাম পায় আন্তর্জাতিক পরিচিতি । মোংলা নদীর তীরে স্থাপন হওয়ায় এ বন্দরের নাম হয় মোংলা । জনশূন্য এলাকায় মুখরিত হয়ে ওঠে জন কলরবে । একটি সরকারি অধিদপ্তর হিসাবে যাত্রা শুরু করে এবং মে ১৯৭৬ সালে, চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ নামক একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে এবং পুনঃরায় ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

 প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অসামান্য সমাহার সুন্দরবনের কুল ঘেষে সমুদ্র থেকে ১৩১ কিঃমিঃ উজানে এবং বিভাগীয় শহর হতে ৪৪ কিঃমিঃ দক্ষিণে বাগেরহাট জেলাস্থ পশুর নদীর পূর্ব তীরে মংলা নালা ও পশুর নদীর মিলনস্থলে অক্ষাংশ ২২.২৯.৩২’ উত্তর ও দ্রাঘিমাংশ ৮৯.৩৫.৫৭’ পূর্বে মোংলা বন্দর অবস্থিত । বন্দরের প্রধান কার্যালয় মোংলায় এবং বিভাগীয় শহর ঢাকা ও খুলনায় অফিস রয়েছে । মোংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাাতিক সমুদ্র বন্দর ।  পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ‘‘সুন্দরবন’’, ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক "ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই বনদ্বারা মোংলা বন্দর সুরক্ষিত।

 


Share with :

Facebook Facebook